1. kamruzzaman78@yahoo.com : kamruzzaman Khan : kamruzzaman Khan
  2. ssexpressit@gmail.com : savarsangbad :
শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
সাভারে সম্মিলিত তরুণ সমাজের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ব্লাড গ্রুপিং অনুষ্ঠিত এনসিপির ঢাকা জেলার ৭ নেতা শোকজ : ৫ জনকে সাময়িক অব্যাহতি আশুলিয়ায় বকেয়া বেতনের দাবিতে নবীনগর-চন্দ্রা সড়ক অবরোধ সাভারে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে খোরশেদ আলম সাভারে জেলা পরিষদের জমি উদ্ধার ও উন্নয়ন পরিকল্পনা জোরদার প্রকাশিত সংবাদে আবাসিক গৃহ নির্মাণ সমবায় সমিতি লি:-এর প্রতিবাদ সাভারে তিন মাসে ২৪ ধর্ষণ মামলা, লোকলজ্জায় থানায় যান না অনেকেই সাভারে খাদ্য অধিদপ্তরের ৩৬১ বস্তা চাল জব্দ, আটক-৩ সাভার পৌর বিএনপি নেতা বিল্টুর দাফন সম্পন্ন ‎সাভারের সাব-রেজিস্ট্রার জাকিরের অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ; ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম  ‎

সাভারে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ে ভেঙে পড়ল জাবির ‘ক্যাসিয়া রেনিজেরা’

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২২

সংবাদ রিপোর্ট: ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের কবলে ভেঙে পড়েছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন সৌন্দর্যবর্ধনকারী ক্যাসিয়া রেনিজারা গাছটি। ২৫ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে গাছটি পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরবর্তীতে গাছটি কাটার উদ্যোগ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপুটি রেজিস্ট্রার (এস্টেট) মো. আব্দুর রহমান। তবে শিক্ষকদের বাধার কারণে গাছটি কাটতে পারেননি তিনি। এ ব্যাপারে মো. আব্দুর রহমান বলেন, ঝড়ে ক্যাসিয়া রেনিজারা গাছটি ভেঙে পড়েছে। পরে গাছটি কাটতে লোকজন পাঠালে কলা ও মানবিকী অনুষদের ডিন অফিস থেকে কাটতে নিষেধ করা হয়। ডিনের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কলা ও মানবিকী অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. মোজাম্মেল হক বলেন, গাছটির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক- শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আবেগ জড়িত। গাছটি ভেঙে পড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ঠরা কষ্ট পেয়েছে। আজকে গাছটি কাটার জন্য লোক এসেছিল। তখন শিক্ষকরা গাছটি কাটতে নিষেধ করেছে। আমি ক্যাম্পাসের বাইরে থাকায় সরেজমিনে দেখতে পারিনি। তবে আগামীকাল দেখে ব্যবস্থা নিব। যদি কেটেই ফেলতে হয় তাহলে সেখানে আরও একটি গাছ যতদ্রুত সম্ভব লাগিয়ে দিব।জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের অন্যতম সৌন্দর্যবর্ধনকারী ছিল ক্যাসিয়া রেনিজেরা গাছটি। বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কলা ভবনের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে, পুরাতন কলা ভবনের ভেতরে, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের সামনে, জহির রায়হান অডিটোরিয়ামের সামনে আরও কয়েকটি ক্যাসিয়া রেনিজেরা বৃক্ষ রয়েছে। তবে সেগুলোর তুলনায় ব্যতিক্রম এটি। আর গাছটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীত মিনার প্রাঙ্গণে হওয়াতে আলাদাভাবে দৃষ্টি পড়তো দর্শনার্থীদের। ক্যাসিয়া রেনিজেরা এ দেশীয় কোনো ফুল নয়, এটি মূলত জাপানি ফুল। ২০০০ সালে ড. এ আর খান সর্বপ্রথম ক্যাসিয়া রেনিজেরা বীজ সংগ্রহ করে চারা উৎপাদন করে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে রোপণ করেন। ক্যাসিয়া রেনিজেরা ফুল ও বীজ অনেকটা সিম আকৃতির লম্বা দণ্ডের মতো। ফুলের ভেতর গোলাকৃতির বীজ, যা আতা ও ডালিম ফলের সঙ্গে অনেকটা তুলনীয়। ক্যাসিয়া রেনিজেরার বৈজ্ঞানিক নাম হলো বার্মিজ পিংক ক্যাসিয়া। ফুল গাছের উচ্চতা প্রায় ১০ মিটার হয়ে থাকে। মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যেই ফুল ধরতে শুরু করে। বর্ষা মৌসুম ছাড়া প্রায় প্রতিটি সময়েই ক্যাসিয়া গাছ থাকে পাতাশূন্য। দৃষ্টিনন্দন ক্যাসিয়া প্রজাপতির ৪০ প্রকার গুল্ম ও বৃক্ষ জাত রয়েছে। এর মধ্যে ভারত ও বাংলাদেশে মিলিয়ে ১৫টি প্রজাতির দেখা পাওয়া যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :