1. kamruzzaman78@yahoo.com : kamruzzaman Khan : kamruzzaman Khan
  2. ssexpressit@gmail.com : savarsangbad :
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
আশুলিয়ায় নবীনগর-চন্দ্রা সড়কে ৯ কিলোমিটার যানজট, ভোগান্তিতে ঘরমুখো মানুষ অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে আশুলিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ ভোট দিতে ঘরমুখো মানুষ, মহাসড়কে চাপ বাড়ছে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ : পিস্তল ও অস্ত্র উদ্ধার ঢাকা-১৯ (সাভার -আশুলিয়া) বিএনপি ফুরফুরে মেজাজে এনসিপির ভরসা জামায়াত সাভারে আইনজীবীরা আমান উল্লাহ আমানের পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ সাভারের ৯ নং ওয়ার্ডে বিএনপির গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ সাভার উপজেলায় ৪৩ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ধামরাইয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রচারণা বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ হবে ঢাকা থেকে, দিল্লি থেকে নয়: নাহিদ ইসলাম

তৃতীয় দিনের মতো রাস্তার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে শিক্ষার্থীরা

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৪
সংবাদ ডেস্ক: সড়কে নেই কোনো ট্রাফিক পুলিশ। এই অবস্থায় টানা তিন দিন ধরেই রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক পুলিশের ভূমিকায় রয়েছেন শিক্ষার্থী ও অন্যান্য সেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা। ৮ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল সড়ক গুলোতে দেখা গেছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবীরা ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করছেন। রাজধানীর মগবাজার, ওয়্যারলেস মৌচাক,শান্তিনগর, আবুল হোটেল, গুলিস্তান-জিরোপয়েন্ট সড়ক গুলো ঘুরে এমন চিত্রই দেখা গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, সাধারণ শিক্ষার্থীরা পাশাপাশি ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও ভালো কাজের হোটেলসহ অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও রয়েছেন। রাস্তায় সিগন্যালের পাশাপাশি তারা ফুটপাতে হাঁটা, নির্দিষ্ট স্থান থেকে গাড়িতে উঠা-নামা ও গণপরিবহনগুলো নির্দিষ্ট স্থান থামার নির্দেশনা দিচ্ছেন। নিয়ম মেনে চলতে মানুষ ও গাড়ি চালকদের বাধ্য করছেন। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি তারা মানুষকে নিয়ম-শৃঙ্খলা শেখাচ্ছেন। রাজধানীর মগবাজার মোড়ে পুলিশের ভূমিকায় রয়েছে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও শিক্ষার্থী সহ ১০ জন। সেখানে সমন্বয়ক রাকিবুল আলম জয় জাগো নিউজকে বলেন, আমরা আনন্দ সহকারে কাজ করছি। রেড ক্রিসেন্ট থেকে আগেও ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করেছি। সেই অভিজ্ঞতা এখন কাজে লাগছে। মানুষ কিছুটা বিরক্ত বোধ করছেন। কিন্ত আমরা চাই সর্বোচ্চ শৃঙ্খলা আসুক। মানুষ কিছুটা শিখে গেলে পরে এই ধারা বজায় থাকবে। ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী নাবিল জানান, যতদিন না ট্রাফিক পুলিশ আসে আমরা রাস্তায় থাকব। সিগন্যালের পাশাপাশি গাড়ি গুলো যেন লাইন ধরে চলে সেটা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি। আমাদের কষ্ট হচ্ছে, ভালো লাগছে মানুষকে সচেতন করা যাচ্ছে। অভিজ্ঞতাও হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের এই ভূমিকায় খুশি পথচারী ও গণপরিবহনের গাড়ি চালকরা। তারা জানান, পুলিশ নেই কিন্ত সড়কে বিশৃঙ্খলা নেই। শিক্ষার্থীরা কাজ করে যাচ্ছে। খুব বেশি যানজট তৈরি হচ্ছেনা। গুলিস্তান-গাজিপুরের একটি পরিবহনের চালক তৌহিদ জানান, শিক্ষার্থীরা নিয়ম করেই সিগন্যাল দিচ্ছেন। কোনো ভোগান্তি নেই।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :