1. kamruzzaman78@yahoo.com : kamruzzaman Khan : kamruzzaman Khan
  2. ssexpressit@gmail.com : savarsangbad :
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
আশুলিয়ায় নবীনগর-চন্দ্রা সড়কে ৯ কিলোমিটার যানজট, ভোগান্তিতে ঘরমুখো মানুষ অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে আশুলিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ ভোট দিতে ঘরমুখো মানুষ, মহাসড়কে চাপ বাড়ছে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ : পিস্তল ও অস্ত্র উদ্ধার ঢাকা-১৯ (সাভার -আশুলিয়া) বিএনপি ফুরফুরে মেজাজে এনসিপির ভরসা জামায়াত সাভারে আইনজীবীরা আমান উল্লাহ আমানের পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ সাভারের ৯ নং ওয়ার্ডে বিএনপির গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ সাভার উপজেলায় ৪৩ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ধামরাইয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রচারণা বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ হবে ঢাকা থেকে, দিল্লি থেকে নয়: নাহিদ ইসলাম

আশুলিয়ায় ছাত্র জনতার আন্দোলনে নিখোঁজ জিহাদ দুই মাস পর গাজীপুর থেকে উদ্ধার

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৪

আশুলিয়া প্রতিনিধি : সাভারে ৫ আগস্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের দিন থেকেই নিখোঁজ কিশোর জিহাদ। পরিবারের পক্ষ থেকে একপ্রকার ভেবেই নেয়া হয়েছে, আন্দোলনের সময় কোন ভাবে হয়ত মৃত্যু হয়েছে জিহাদের। তবে পুলিশের প্রচেষ্টাতে দুই মাস পর নিখোঁজ জিহাদের সন্ধান পেয়ে উচ্ছ্বসিত তার পরিবার। সোমবার রাতে গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে জিহাদকে উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। এর আগে গত ১৮ আগস্ট আশুলিয়ার জিরাবো এলাকার বাসিন্দা বেলাল হোসেন তার ছেলে জিহাদ নিখোঁজের ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। বেলাল হোসেন বলেন, গত ৫ আগস্ট ছাত্র আন্দোলনে সরকার পতনের পর রাতে জিহাদ বাড়ির পাশে থেকে নিখোঁজ হয়। এরপর অনেক জায়গায় মাইকিং করেছি, বিভিন্ন জায়গায় পোস্টারও লাগিয়েও তার সন্ধান পাইনি। পরে গত ১৮ আগস্ট আমরা আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করি। এক পর্যায়ে কোথাও কোন সন্ধান না পেয়ে ভেবেছিলাম জিহাদ আর কোনদিনও ফিরবে না, ও হয়ত মারা গেছে। ছাত্র আন্দোলনের কারণে হাসিনা সরকার পতনের পর হয়ত কোন বিপদে পড়ে জিহাদ মারা গেছে এরকম ধারণা করেছিলাম আমরা। তবে শেষ ইচ্ছা ছিলো, কোন ভাবে যাতে ছেলের লাশটা অন্তত পাই। তিনি আরও বলেন, সবশেষ ১৪ অক্টোবর সোমবার রাতে জিহাদকে টঙ্গী থেকে উদ্ধার করে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দেন এসআই অলোক। আমরা তখনও বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে জিহাদকে জীবিত ফিরে পেয়েছি। ওই পুলিশ কর্মকর্তা আমার ছেলেকে উদ্ধারে অনেক কষ্ট করেছেন। এঘটনার পর পুলিশের প্রতি আমার ধারণা পাল্টে গেছে। ৫ আগস্টের পর পুলিশের কার্যক্রম যেভাবে চলছে, তাতে পুলিশের উপর মানুষের ভরসা এক প্রকার উঠেই গিয়েছিলো। আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অলোক কুমার দে বলেন, উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তার নির্দেশে জিহাদ নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি তদন্ত শুরু করি। প্রযুক্তির সহায়তা ও বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে জিহাদকে টঙ্গী এলাকার একটি আবাসিক হোটেল থেকে উদ্ধার করা হয়। সে ওই আবাসিক হোটেলে তার বাবা-মা নেই এই পরিচয়ে হোটেল বয়ের চাকরি নিয়েছিলো। জিহাদ মূলত এতদিন আত্মগোপনেই ছিলো। পরিবারের সাথে অভিমান করেই গত ৫ আগস্ট সে বাড়ি থেকে চলে যায় প্রথম অবস্থায় জিহাদ একটি মোবাইল ব্যবহার করলেও পরে আর সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। সেই মোবাইলের সূত্র ধরেই প্রযুক্তির সহায়তায় জিহাদকে নিখোঁজের ৭০ দিন পর উদ্ধার করতে সক্ষম হই। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আজ জিহাদকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :