
সংবাদ রিপোর্ট : সাভারে বিএনপির এক আলোচনা সভায় ঢাকা-আসনে বিএনপির আগামির প্রার্থী হিসাবে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কফিল উদ্দিনকে সমর্থন জানানোর ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অপর মনোনয়ন প্রত্যাশী ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রাশেদুল আহসান রাশেদ। ৩ সেপ্টেম্বর বুধবার সন্ধ্যায় নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রাশেদ বলেন, সাভার পৌর, থানা ও আশুলিয়া থানা বিএনপির উদ্যোগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিকেলে তারাপুর হোস্টেল মাঠে আয়োজিত আলোচনা সভায় একজনের হাতে ধানের শীষ তুলে দেওয়ার ঘটনা অনাকাঙ্খিত ও অপ্রত্যাশিত। এটা অন্যায় হয়েছে। দলের নেতাকর্মীরা এটা আশা করেনি। কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই সমাবেশ মঞ্চে এ ধরনের ঘোষণা লুকোচুরি, প্রতারনা ও ছলচাতুরি।
তিনি বলেন, ওই আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে আমি স্পষ্টভাবে বলেছি, সাভার-আশুলিয়ার মানুষ ঝুট ব্যবসায়ী, দখলদার, ভূমিদস্যুদের প্রার্থী হিসাবে চায় না। তারা নতুন ও সঠিক নেতৃত্ব চায়। নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা ও জনআকাঙ্খা বাস্তবায়নে আমি মনোনয়ন প্রত্যাশী। বুধবারের অলোচনা সভা অনেক মনোনয়ন প্রত্যাশী মঞ্চে ছিলেন। আলোচনা ছিল আমরা মনোনয়ন চাইবো-আমাদের মধ্য থেকে দল যাকে চূড়ান্ত মনোনয়ন দিবে সবাই তার জন্য কাজ করবো। কিন্তু সভার শেষ পর্যায়ে মঞ্চে দু-একজন বক্তা যেভাবে একজনকে প্রার্থী বলে সমর্থন জানালেন-ধানের শীষ হাতে তুলে দিলেন- তা অপ্রত্যাশিত। রাশেদ আরো বলেন, খন্দকার শাহ মইনুল হোসেন বিল্টু পৌরসভায় মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী। কফিল উদ্দিন উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী। বুধবারের জনসভায়ও কফিল উদ্দিন নিজেকে এমপি প্রার্থী ঘোষণা না করে বলেছেন আপনারা চাইলে আমি প্রার্থী হতে পারি। জামাল উদ্দিন সরকার নিজে কোনো প্রার্থী কিনা জানি না উল্লেখ করে রাশেদ বলেন, দখলদারিত্ব, ঝুট ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে অনেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী প্রচার করলেও তারা আসলে প্রার্থী হতে চান না। ডা. সালাউদ্দিন ও তিনি (রাশেদ) নিজে প্রকৃত বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে দাবি করেন রাশেদ। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের লোকজনকে নিজেদের স্বার্থ চারিতার্থ করার জন্য বিএনপিতে স্থান দেওয়া হচ্ছে। যারা এটা করছেন বিএনপির হাইকমান্ড তাদের ব্যাপারে ব্যবস্থা নিবে বলে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট করে জানিয়েছেন।
Leave a Reply