1. kamruzzaman78@yahoo.com : kamruzzaman Khan : kamruzzaman Khan
  2. ssexpressit@gmail.com : savarsangbad :
সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন

বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে সাভারে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৩

সংবাদ রিপোর্ট: জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে ঢাকার সাভারে উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১০ জানুয়ারি মঙ্গলবার দুপুরে সাভার উপজেলা পরিষদের মিলনায়তনে অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীব এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমান এমপি। আলোচনা সভায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি এবং সভাপতি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোকপাত করেন। পরে জাতির জনক এবং ‘৭৫ এর ১৫ আগস্টে নিহত বঙ্গবন্ধু এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ভাকুর্তা ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মোঃ লিয়াকত হোসেন, ঢাকা জেলা উত্তর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সায়েম মোল্লা, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানবৃন্দ সহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ। এর আগে, সকাল ১১টায় সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম রাজীব এর নেতৃত্বে উপজেলা পরিষদে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন। এসময় সাভার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মাজহারুল ইসলাম সহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মঞ্জুরুল আলম রাজীব জানান, ২৩ বছরের নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম ও ৯ মাসের সশস্ত্র যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ তাদের তৎকালীন আবাসভূমি পূর্ববাংলা পাকিস্তান থেকে চিরদিনের জন্য আলাদা করতে সক্ষম হয়েছিল। যে মহান নেতার একক নেতৃত্বে এ মহান কাজটি সুুসম্পন্ন করা হয়েছিল, তিনি হচ্ছেন বাংলার রাখাল রাজা, অবিসংবাদিত একক নেতা, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। একটা বিজয়ী স্লোগান, একটা স্বাধীন পতাকা, স্বাধীন জাতীয় সংগীত অর্থাৎ স্বাধীন বাঙালি জাতিসত্তা এমনভাবে ইতোপূর্বে কেউ প্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি। তাই বলা যায়, তিনি একজন সার্থক জাতির জনক। রাজীব বলেন, বঙ্গবন্ধু দেশে এমন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, যাতে সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করতে পারে, অর্থনৈতিক বৈষম্যের অবসান ঘটে। শোষিত-বঞ্চিত মানুষও যেন মুক্তির স্বাদ পায়। প্রতিটি মানুষ যাতে তার মানবিক অধিকার উপভোগ করতে পারে, স্বাধীন বাংলাদেশকে তিনি কখনো শোষকদের বাংলাদেশে রূপান্তরিত করতে চাননি। তিনি চেয়েছিলেন, শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকার সংরক্ষিত একটি বাংলাদেশ। মঞ্জুরুল আলম রাজীব আরও বলেন, গুণগতভাবে জাতিসত্তায় যে প্রগতিশীল উন্নয়নের ধারা প্রতিষ্ঠিত করা আমাদের লক্ষ্য ছিল, তা অর্জিত হয়নি। তাই ১০ জানুয়ারি এলে বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর কথা মনে পড়ে। ওইদিন দেশে ফিরে এসে তিনি স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের সুসংহত করার লক্ষ্যে মূল ভীত রচনা করেন। তার অকালমৃত্যুর কারণে আমাদের চরম ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সুফল সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজ অসমাপ্ত থেকে গেছে। তার অসমাপ্ত কাজ তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সমাপ্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে তা ভিন্ন হওয়ায় জননেত্রী শেখ হাসিনাকে অত্যন্ত সুকৌশলে অগ্রসর হতে হচ্ছে। বিশ্ব বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হচ্ছে। যে আর্থসামাজিক বাস্তবতার পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু তার দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন, বর্তমান সময়ে তা আক্ষরিক অর্থে বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। বস্তুনিষ্ঠ বর্তমান বাস্তবতা যে দিকনির্দেশনা দেয়, জননেত্রী শেখ হাসিনা তাই অনুসরণ করার চেষ্টা করছেন। বর্তমান বাস্তবতায় জনগণের সংকট সমাধান করে যেভাবে তিনি দেশকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়, জননেত্রী শেখ হাসিনা সেই পথেই অগ্রসর হচ্ছেন। তাই শেখ হাসিনা কর্তৃক গৃহীত প্রতিটি পদক্ষেপ বাস্তবসম্মত মনে হচ্ছে এবং জনগণ তার সুফল পেতে শুরু করেছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :