1. kamruzzaman78@yahoo.com : kamruzzaman Khan : kamruzzaman Khan
  2. ssexpressit@gmail.com : savarsangbad :
রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন

সাভারে জাতীয় বিল্পব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৪

সংবাদ রিপোর্ট: সাভারে ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাভার উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী জামাল উদ্দিন সরকার। ৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টায় সাভার মডেল মসজিদ প্রাঙ্গনে সাভার পৌর বিএনপি, সাভার থানা ও আশুলিয়া থানা বিএনপি অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় প্রধান অতিথি বলেন, ১৯৭১ সালে এদেশের মানুষ তাদের স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলন করেছিল, যুদ্ধ করেছিল, তারা মনে করছিল আমরা একটা স্বাধীন দেশ পাবো। আর সেদেশে আমাদের গনতান্ত্রিক অধিকার থাকবে, আমাদের শান্তি শৃঙ্খলা থাকবে, আমাদের কথা বলার অধিকার থাকবে, আমাদের ভাতের অধিকার থাকবে, ভোটের অধিকার থাকবে। কিন্তু ১৯৭১ সালের পর ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার শেখ মুজিবের নেতৃত্বে যে অন্যায় অত্যাচার, অবিচার শুরু করেছিল, তার জন্য এদেশের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছিল। হাজার হাজার মুক্তিযুদ্ধাকে রক্ষীবাহিনী দিয়ে গুলি করে মারছে, যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছিল এদেশের স্বাধীনতার জন্য, সেই মুক্তিযুদ্ধাদেরও তারা গুলি করে মারছে। কেন মারছে? তারা অন্যায়ের প্রতিবাদ করছে, শেখ মুজিব শাশনের প্রতিবাদ করছে, তাদেন অধিকার চাইছে, যার কারনে তাদের গুলিকরে মারা হইছে। এই ৫ই আগষ্টের আগে যে ভাবে আমাদের দেশের ছাত্র-জনতাকে গুলি করে মারছে সেই ভাবেই ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ পর্যন্ত কোন বিরোধী চক্রকে, কোন রাজনৈতিক প্রতিবাদ কারিকে তারা সহ্য করতে পারে নাই। জামাল বলেন, তারা রক্ষী বাহিনী সৃষ্টি করছে ভারতের সেনাবাহিনীর আদলে। এবং এই রক্ষী বাহিনীকে তারা পর্যাপ্ত সুযোগ সুভিদা দিয়া, এদেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে একটা বুটের জুতা পর্যন্ত পরতে দেই নাই, তাদের কোন বাজেট দেয় নাই। এমন অবস্থা সৃষ্টি করছিল। তারা এমন পর্যায়ে চলে গেছিল যে এদেশে সেনাবাহিনী বলতে কোন বাহিনী থাকবে না। শুধু রক্ষী বাহিনী থাকবে। তারা ১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষের মাধ্যমে লাখো লাখো মানুষ মারা গেছিল ভাতের অভাবে, লাখো লাখো মানুষ মারা গেছে কাপড়ের অভাবে। এইযে একটা বিশৃঙ্খল অবস্থা সৃষ্টি করছিল, যার পরিনতিতে সেই শেখ মুজিবুর রহমান খুন হওয়ার পরেও, তারই দলীয় কিছু মন্ত্রী মিনিস্টার আবার সরকার গঠন করে। তারা এদেশের জনগণের চাহিদা মেটাতে ব্যার্থ হয়। তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ সালে ৩শরা নভেম্বর ভারতের মদদে খালেদ মোশারফ নামে একটা সেনা শাসক, সেই সেনা শাসক জিয়াউর রহমান সাহেবকে বন্দী করে সে সেনা প্রধানের ক্ষমতা নেই। তখন এদেশের জাগ্রত সেনাবাহিনী এবং জনতা বুঝতে পারল, যে আবার তারা সেই ভারতের তাবেদারদের শাসন কায়েমের জন্য চেষ্টা করছে, এটা মেনে নেওয়া যায় না। তখন এই সেনাবাহিনী এবং জাগ্রত জনতা জিয়াউর রহমান সাহেবকে বন্দী দশা থেকে মুক্তি করে তাকে ক্ষমতায় বসায়। এই সেই জিয়াউর রহমান, যে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। সেই জিয়াউর রহমান কে তারা ক্ষমতায় বসায় দেশকে বাচানোর জন্য, জাতিকে বাচানোর জন্য। এছাড়াও তিনি ৭নভেস্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহিত দিবসের বিভিন্ন তাৎপর্য বর্ণনা করেন এবং নেতাকর্মীদের যেকোন ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান এই বিএনপি নেতা। ঢাকা জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাভার পৌর বিএনপির সভাপতি খন্দকার শাহ মঈনুল হোসেন বিল্টু’র সভাপতিত্বে এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও সাভার উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কফিল উদ্দিন, সাভার থানা বিএনপির সভাপতি সাইফ উদ্দিন সাইফুল, আশুলিয়া থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর, জাকসুর সাবেক ভিপি আশরাফ উদ্দিন খান, ঢাকা জেলা যুব দলের সহ-সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন, সাভার পৌর বিএনপি’র স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. আব্দুল্লাহ হোসেন ইউসুফ, সাভার পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সিনিয়ার সহ-সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন বাহাদুর, সাভার পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলি মোল্লা, সাভার পৌর কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাফিজ মোল্লাসহ সাভার পৌর, সাভার ও আশুলিয়া থানা বিএনপি অঙ্গ এবং সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :