1. kamruzzaman78@yahoo.com : kamruzzaman Khan : kamruzzaman Khan
  2. ssexpressit@gmail.com : savarsangbad :
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন

সময়ের সায় পেলে  মিলবো আনন্দে 

  • আপডেট সময় : সোমবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৬

সত্য ও স্বচ্ছ সংবাদ প্রকাশের প্রত্যয়ে ২০১৪ সালের ১৪ এপ্রিল আমরা যাত্রা শুরু করেছিলাম। দেখতে দেখতে চলে গেল একযুগ। বছর ঘুরে আবার এসেছে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন। এই শুভক্ষণে সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি কঠিন সময়েও পাশে থাকার জন্য। এগিয়ে চলার এই সময়ে ছিল অনেক বাঁধা ও অপপ্রচার। তবুও আমরা আপোষ করিনি, মাথা নোয়াইনি। সত্য প্রকাশের কারণে যাদের গাত্রদাহ হয়েছে তারা নানাভাবে পথরোধের চেষ্টা করেছে। বিজ্ঞাপন বন্ধ করতে তারা সবচেষ্টা করেও পারেনি। বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে গিয়ে ট্যাগিং দিয়েছে। এতোকিছুর পরও আমরা আশাহত হইনি। অভীষ্ঠ লক্ষ্যে পৌছতে সাভার সংবাদ পরিবার খবরের পিছনে ছুটে চলার কঠিন পথ পাড়ি দিতে সংকল্পবদ্ধ। আমরা ছোট পরিবার কিন্তু নির্ভীক।

প্রিয় পাঠক, সাভার সংবাদ পরিবারকে মানুষের কাছে, সমাজে হেয় করতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিরামহীম অপপ্রচার আমাদের সাহস আরো বাড়িয়েছে। পেশাদারিত্বের প্রশ্নে আপোষহীন থাকায় নিন্দুকের সব প্রোপাগান্ডা উতরে উঠেছি বারবার। আমরা বিশ্বাস করি নোংরামির সঙ্গে যারা জড়িত তারা সভ্য কেউ নয়। কয়েকটি ভুয়া আইডি ব্যবহার করে যারা কুৎসা রটানোর পথে হেটেছে তারা সৎ সাংবাদিকতা চায় না। বর্ণচোরারা লাগাতর অপপ্রচারে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে প্রতিচার চেয়ে আমরা সাভার এবং ঢাকার রমনা মডেল থানায় অভিযোগ করেছি। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মাধ্যমে অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে তদন্ত হয়েছে। তদন্তে অনেকে সনাক্ত হয়েছে, সময় এর জবাব দিবে। পেশাদারিত্বের সঙ্গে তদন্তের জন্য বাংলাদেশ পুলিশকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

প্রিয় সুহৃদ, সাভার-আশুলিয়া অঞ্চলে প্রকৃত অর্থে কতোজন পেশাদার গণমাধ্যমকর্মী রয়েছে এর সদুত্তর নিশ্চয়ই কারো জানা নেই। কিন্তু পথে-ঘাটে, সরকারি দপ্তরে গণমাধ্যমকর্মী পরিচয় দেওয়া ব্যক্তির সংখ্যা কয়েক হাজার। যার বড় অংশ প্রতারক। মোবাইল ফোনে কারো পক্ষে বা বিপক্ষে কিছু পোষ্ট করে তারা হম্বিতম্বি করে। থানার দালালি, মামলা ও গ্রেপ্তার বাণিজ্যে তারা পটু। বিভিন্ন ইভেন্টে, রাজনৈতিক কর্মসূচীতে যাদের দেখা যায় এর অংশের খবর কোথায় প্রচার-প্রকাশ হয় তারা কারো জানা নেই। এমন ‘ফেসবুক সাংবাদিকতা’ সাধারণ মানুষের জন্য বড় আতঙ্কের কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। অথচ অনেকে নিজস্বার্থে এসব ভুঁইফোড়দের পৃষ্ঠপোষক! কাউকে সামাজিকভাবে হেয় করতে এসব ফেসবুক আইডিধারীদের তারা পুষেন। পেশাদার সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য না থাকার সুযোগে এরা সমাজে বড় ব্যাধি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই চক্রের কারণে পেশাদার সংবাদকর্মীদের মান ক্ষুন্ন হচ্ছে। কিন্তু প্রতিকার নেই। আমরা স্রোতে গা না ভাসিয়ে এমনসব অপসাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে অনেকের চক্ষুশূল হয়েছি। তবুও মাথা নত করিনি, ভবিষ্যতেও কবর না। সময় সব জবাব দিবে তার নিয়মে।

প্রিয় পাঠক, সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমের ব্যাপকতার এই সময়ে এসে কোনো সংবাদই গোপন থাকছে না। কিন্তু এর মধ্যে কোনটি সঠিক আর কোনটা গুজব-অপপ্রচার-বিভ্রান্তিমূলক না নির্ণয় করা অনেক কঠিন ও চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা ছোট পরিবার হলেও অপপ্রচার ও গুজবকে ঝেড়ে ফেলে সত্যতা তুলে ধরতে পিছপা হইনি।

প্রিয় শুভার্থী, একযুগ পেরিয়ে নতুন আরেকটি নতুন বছরে পা দেওয়ার এই মুহুর্তটি আনন্দঘন। এই সময়ে পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রত্যাশার সঙ্গে প্রাপ্তি পূর্ণ করতে না পারার ব্যর্থতা শুধুই আমাদের। দিনটি স্মরণীয় করে রাখতে অতীতের ন্যায় এবারো একগুচ্ছ পরিকল্পনা থাকলেও সময় সায় দেয়নি। এজন্য পাঠক, শুভানুধ্যায়ী ও বিজ্ঞাপনদাতাদের কাছে কৃতজ্ঞতার দায়বদ্ধতা থেকে ক্ষমা চাইছি। সময়ের সায় পেলে আমরা আবারো মিলবো আনন্দ আয়োজনে। তখন মুখোশ উন্মোচন হবে অনেক নিকৃষ্টের। পরিশেষে সবার জন্য শুভ কামনা নিরন্তর।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :