1. kamruzzaman78@yahoo.com : kamruzzaman Khan : kamruzzaman Khan
  2. ssexpressit@gmail.com : savarsangbad :
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
আশুলিয়ায় নবীনগর-চন্দ্রা সড়কে ৯ কিলোমিটার যানজট, ভোগান্তিতে ঘরমুখো মানুষ অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে আশুলিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ ভোট দিতে ঘরমুখো মানুষ, মহাসড়কে চাপ বাড়ছে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ : পিস্তল ও অস্ত্র উদ্ধার ঢাকা-১৯ (সাভার -আশুলিয়া) বিএনপি ফুরফুরে মেজাজে এনসিপির ভরসা জামায়াত সাভারে আইনজীবীরা আমান উল্লাহ আমানের পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ সাভারের ৯ নং ওয়ার্ডে বিএনপির গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ সাভার উপজেলায় ৪৩ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ধামরাইয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রচারণা বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ হবে ঢাকা থেকে, দিল্লি থেকে নয়: নাহিদ ইসলাম

ধামরাই পৌরসভাসহ ১৬ ইউনিয়েনে জমে উঠেছে পৌষ মেলা

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী, ২০২৬

ধামরাই প্রতিনিধি: ধামরাইয়ে জমে উঠেছে পৌষ মেলা। ধামরাই পৌরসভাসহ ১৬ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পৌষ মেলা শুরু হয়েছে। একে সাকরাইন মেলা বা পৌষসংক্রান্তি মেলাও বলা হয়। তবে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন এই মেলাকে বুড়া-বুড়ির মেলাও বলে থাকেন। ছোট বাচ্চাসহ সব শ্রেণি পেশার মানুষকে এই মেলায় দেখা যায়। মেলায় ঘুড়ি ওড়ানোসহ বাড়িতে ব্যবহৃত মাটির তৈরি জিনিসপত্র, ছোট বাচ্চাদের বাহারি খেলনা, নারীদের ব্যবহৃত চুড়িসহ আকর্ষণীয় জিনিসপত্র বিক্রি করা হয়। পৌষ মেলার বড় আকর্ষণ থাকে রসগোল্লা, মুড়ি, মিষ্টিজাতীয় হরেক রকমের খাবার। মেলায় আসা লোকজন তাদের শখের জিনিসপত্র কিনতে ব্যস্ত সময় পার করছে। মঙ্গলবার থেকে এই মেলা বসেছে। ধামরাই পৌরসভার যাত্রাবাড়ি মাঠে ভোর বেলায় এই মেলা বসে। চলে দুপুর পর্যন্ত। তবে কিছু কিছু এলাকায় সকাল থেকে মেলা বসে চলে অনেক রাত পর্যন্ত। জানা যায়, উপজেলার হাজীপুর, কাকরান, দেপাশাই কাউন্সিল বাজার, কালামপুর, শ্রীরামপুর, বাসনা, বালিয়া, সীতিপাল্লি, সানোড়া, বাড়িগাঁও, নান্নার গোপালপুর, বারবারিয়া, রোয়াইলসহ বিভিন্ন জায়গায় এই মেলা বসে। তবে কোথাও সকালে আবার কোথাও বিকেলে এই মেলা হয়ে থাকে। কোথাও কোথাও তিন দিনব্যাপী চলে এই মেলা। কিন্তু শ্রীরামপুর মাঠে এই মেলা প্রায় মাসব্যাপী চলে। তবে এই দিনে হিন্দুদের পূজাও পালন করা হয়। মেলায় সব ধর্মের লোকই আসে। বাঙালি সংস্কৃতিতে পৌষ মাসের এই শেষ দিনটি উৎসব মুখর পরিবেশে পালিত হয়। প্রতিবারের মতো এবারও ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ মেলায় আগমন করে। মেলায় কুটিরজাত শিল্প সরঞ্জামের জিনিসপত্রের পসরা সাজিয়ে বসে থাকেন দোকানিরা। পৌষ মেলায় আসা শ্যামল চন্দ্র পাল বলেন, ‘যুগ যুগ ধরেই সাকরাইন মেলা বা পৌষসংক্রান্তি মেলা চলে আসছে। পৌষ মাসের শেষ দিন এই মেলা বসে। কোনো কোনো এলাকায় ভোর থেকে শুরু হয় আবার কোথাও বিকেলে বসে চলে রাত পর্যন্ত। কোথাও এক দিন, আবার কোথাও তিন দিন বা এক মাস ধরেও চলে এই মেলা। এখানে হিন্দু মুসলমান সবাই অংশগ্রহণ করেন। ধর্মীয় কোনো ভেদাভেদ নেই। স্বতঃস্ফূর্তভাবে সব ধর্মের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। কোথাও এই মেলাকে বুড়া-বুড়ির মেলাও বলে থাকে। এ মেলার প্রধান আকর্ষণ ঘুড়ি ওড়ানো।’

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :