1. kamruzzaman78@yahoo.com : kamruzzaman Khan : kamruzzaman Khan
  2. ssexpressit@gmail.com : savarsangbad :
মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
আশুলিয়ায় নবীনগর-চন্দ্রা সড়কে ৯ কিলোমিটার যানজট, ভোগান্তিতে ঘরমুখো মানুষ অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে আশুলিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ ভোট দিতে ঘরমুখো মানুষ, মহাসড়কে চাপ বাড়ছে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ : পিস্তল ও অস্ত্র উদ্ধার ঢাকা-১৯ (সাভার -আশুলিয়া) বিএনপি ফুরফুরে মেজাজে এনসিপির ভরসা জামায়াত সাভারে আইনজীবীরা আমান উল্লাহ আমানের পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ সাভারের ৯ নং ওয়ার্ডে বিএনপির গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ সাভার উপজেলায় ৪৩ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ধামরাইয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রচারণা বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ হবে ঢাকা থেকে, দিল্লি থেকে নয়: নাহিদ ইসলাম

এইচএসসির ফলাফল জানা হলো না সাভারের শহীদ নাফিসার

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৪

সংবাদ রিপোর্ট: ‘আন্দোলন থেকে না ফেরা মেয়েটা আমার ইন্টার পাশ করছে। কিন্তু আফসোস স্বাধীন দেশে নিজের রেজাল্টটা আর দেখতে পারলোনা আমার মা। সাভারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত নাফিসা হোসেন (মারওয়ার) পিতা আবুল হোসেন এভাবেই কান্না ভেঁজা চোখে তাঁর মেয়ের এইচএসসির ফলাফলের কথা জানাচ্ছিলেন। সতেরো বছরের নাফিসা চলতি বছর গাজিপুরের টঙ্গী এলাকার শাহাজউদ্দিন সরকার স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছিল। মঙ্গলবার ফলাফল ঘোষণার পর দেখা যায় জিপিএ ৪.২৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি।নাফিসার বাবা আবুল হোসেন পেশায় একজন চা দোকানি। নাফিসা ও তার ছোট বোন রাইসাকে নিয়ে বাবা আবুল হোসেন থাকতেন টঙ্গীর এরশাদনগর বস্তি এলাকার আট নাম্বার ব্লকে একটি ভাড়া বাড়িতে। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফেরাতে নাফিসার মা কুলসুম বিদেশে পাড়ি জমান কয়েক বছর আগে। ১৫ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে আবুল হোসেন বলেন, ‘মেয়ের লেখাপড়ায় যাতে বেঘাত না ঘটে সেজন্য তাঁকে কখনো রান্না করতে দিতাম না। নিজে ছোট্র চায়ের দোকানে যা আয় হতো পুরোটাই মেয়েদের পড়াশুনা আর দেখভালে খরচ করেছি। ১৮ জুলাই আমাকে না বলেই নাফিসা উত্তরায় ছাত্র আন্দোলনের যোগ দেয়। পরে প্রতিবেশীদের কাছে বিষয়টি জানতে পেরে আমি মেয়েকে বাঁধা দেই। কিন্তু মেয়ে আমাকে ফাঁকি দিয়ে আগস্টের ৩ তারিখ সাভারে তাঁর মামার বাসায় বেড়াতে যায়। নাফিসার স্কুল সাভারে হওয়ায় সেখান তার অনেক বন্ধু-বান্ধবী ছিলো তাদের সাথেই আমার মেয়ে সাভারে আন্দোলনে যোগ দিয়ে গুলি খেয়ে শহীদ হয়েছে। কিন্তু একটাই কস্ট যেই স্বাধীনতার জন্য আমার মেয়েটা প্রাণ দিল সেই স্বাধীন দেশেই আমার মেয়ে তার পরীক্ষার রেজাল্ট দেখে যেতে পারেনি।’ উল্লেখ্য, গত ৫ আগস্ট দুপুর ২টার দিকে আন্দোলনরত অবস্থায় বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয় নাফিসা। পরে তাঁর সাথে থাকা অন্যান্য শিক্ষার্থীরা আহত নাফিসাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পরেন এই অকুতোভয় বীরকন্যা। পরে খবর পেয়ে নাফিসার বাবা হাসপাতাল থেকে মেয়ের মরদেহ নিয়ে এসে টঙ্গীর এরশাদনগর এলাকার কবরস্থানে নাফিসাকে দাফন করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :