
সংবাদ রিপোর্ট: বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন গত ৫ আগস্ট দুপুরের পর সাভার মডেল থানায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে সাভার মডেল থানা পুলিশ। গত ১০ সেপ্টেম্বর থানার এসআই মাজারুল ইসলাম বাদী হয়ে এ মামলা রুজু করেন। জানা গেছে, ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। মামলায় সুনির্দিষ্টভাবে কাউকে আসামি করা না হলেও আসামীর সংখ্যা কয়েক হাজার বলে জানা গেছে। এজাহারে বলা হয়েছে, ৫ আগস্ট দুপুরের পর সাভার মডেল থানা, অফিসারদের বাসভবন ও কোয়ার্টারে ভাঙচুর করে লুটপাট চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এ সময় নগদ ৭ লাখ ২৫ হাজার ৫৮২ টাকা লুট হয়েছে। থানা থেকে সরকারি-বেসরকারি অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট হয়েছে। সব মিলিয়ে সাত কোটি ছয় লাখ টাকার মালামাল লুটের কথা এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনা এখন পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার হয়নি বলেও এজাহারে উল্লেখ করেছেন বাদী। তবে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে জড়িতদের ব্যাপারে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে বলে জানা গেছে। মূলত আন্দোলনকারীদের ভেতরে ঢুকে একদল দুর্বৃত্ত এসব অপকর্ম চালায়। বিশেষ করে অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটে নেতৃত্ব দেয় স্থানীয় একটি চক্র। যাদের অনেকে মাদকাসক্ত। পরে এদের অনেকে কৌশলে মিশে যায় ছাত্র-জনতার সঙ্গে। থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদের অনেক কিছুই এখনো উদ্ধার হয়নি। এসব অস্ত্র- গোলাবারুদ উদ্ধারে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে যৌথ বাহিনী। থানা লুটকারীদের তথ্য চেয়ে এবং ধরিয়ে দিতে সকলের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে পুলিশের পক্ষ থেকে। লুটকারীদের কয়েকজনের বাসা থানার আশপাশে বলেও স্থানীয়ভাবে জানা গেছে।
Leave a Reply