1. kamruzzaman78@yahoo.com : kamruzzaman Khan : kamruzzaman Khan
  2. ssexpressit@gmail.com : savarsangbad :
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ :
সাভারে সেমাই কারখানা ও বেকারিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত, জরিমানা বাংলাদেশের সব জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দু হবে সংসদ: চিফ হুইপ সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মতবিনিময় সভায় এমপি সালাউদ্দিন বাবু সাভারে ভেজাল তেল কারখানা সিলগালা, বিপুল মালামাল জব্দ সাভারে পেট্রোল পাম্পে তেলের ‘কৃত্রিম সংকট’ তৈরির অভিযোগ  সাভারে আইনজীবী কল্যাণ সমিতির ইফতার ও দোয়া মাহফিল ধামরাইয়ে ৫ অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, জরিমানা ২৪ লাখ ঈদে যানজট কমাতে আশুলিয়ায় হকার উচ্ছেদ অভিযান ধামরাইয়ে বাগান থেকে বাজার সব জায়গায় লেবুর দামে আগুন সাভার উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আমান উল্লাহ আমান-এর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সাভারে মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ জনজীবন, নিধনে নেই পদক্ষেপ

  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

সংবাদ রিপোর্ট: সাভারে মশার উপদ্রবে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। গরম কাল আসার সাথে সাথে ভয়াবহ আকারে বৃদ্ধি পেয়েছে মশার বিস্তার। দিন রাতে সব সময় মশার কামড়ে নাজেহাল সাভারবাসী। দিনের বেলায়ও অফিস কিংবা বাসা বাড়িতে মশার কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হচ্ছে। আর একটু সন্ধ্যা হলেই মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাচ্ছে আরও কয়েক গুন। কিন্তু মশা নিধনের জন্য প্রতি বছর বাজেট থাকলেও পৌর কর্তৃপক্ষ মশা নিধনে তেমন কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করছে না। সাভার পৌর এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথেই মশার উপদ্রব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে মানুষের দৈনন্দিন কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। কয়েল, স্প্রে বা মশারি টাঙ্গিয়েও মশার উৎপাত থেকে রেহাই পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে সন্ধ্যার পর মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। কেউই স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে পারছেন না। সাভার উপজেলাটি শিল্পাঞ্চল হওয়ায় মিল ও কলকারখানার দূষিত বর্জ্য, বিভিন্ন স্থানের জমে থাকা নোংরা পানি এবং যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলায় এ অঞ্চলটি মশার প্রজনন ক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে। পৌর এলাকার বিভিন্ন স্থানে বসানো ডাস্টবিন ও আবর্জনা ফেলার স্থান নিয়মিত পরিষ্কার না করায় মশার বিস্তার ক্রমশ বাড়ছেই। আর এতে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে শিশুরা। তাছাড়া মশার উৎপাতে স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা পড়াশুনাও চরম ব্যাঘাত ঘটছে। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, সারাদিন মশার উপদ্রব থাকলেও সন্ধ্যার পরপরই এই উৎপাত আরও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। ফলে সন্ধ্যায় মশার কয়েল জ্বালিয়ে বা স্প্রে শিক্ষার্থীদের পড়তে বসতে হচ্ছে। এমনকি মশার উৎপাতে নাজেহাল হয়ে মশারি টাঙ্গিয়ে ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া করতে হচ্ছে। অনেকই মশার কামড়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। ব্যবসাহিক আতিক বলেন, মশা নিয়ন্ত্রণে পৌরসভা বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো উদ্যোগ নেই। সাভার পৌরসভা ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে। ফলে প্রতিনিয়ত মশার বংশ বৃদ্ধি ঘটছে। দ্রুত মশার বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।চিকিৎসক মোহাম্মদ রফিক জানান, ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত মশা বংশবিস্তার ঘটায়। এসময় মশার কামড় জনিত রোগে মানুষ বেশি আক্রান্ত হয়। মশার কামড়ে মানুষ অ্যানোফিলিস, ম্যালেরিয়া রোগে আক্রান্ত হয়। এদের মধ্যে শিশুদের সংখ্যাই বেশি। এজন্য সকলকে সচেতন থাকা প্রয়োজন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :