
সংবাদ রিপোর্ট: আষাঢ়ের টানা ভারী বর্ষণে সাভার পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় বিভিন্ন সড়কে হাঁটুসমান পানি জমে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষার্থী ও কর্মজীবী মানুষ। ১২ জুলাই রবিবার দুপুরে সরেজমিনে সাভার পৌরসভার ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, সাভার উপজেলা পরিষদ এলাকা, নামাবাজার, থানা রোড, ব্যাংক কলোনি, মজিদপুর, সিটি লাইন, সাভার পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে, রেডিও কলোনি ও তালবাগ এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, কয়েক ঘণ্টার টানা বৃষ্টিতেই নিচু এলাকার সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক স্থানে ড্রেন উপচে ময়লা-আবর্জনা সড়কে ছড়িয়ে পড়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। সাভার পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. দিদারুল ইসলাম বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই আনন্দপুর সড়ক পানিতে তলিয়ে যায়। ড্রেনের ময়লা পানির কারণে এই সড়কে চলাচল করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধি শাহরিয়ার আলম বলেন, সকাল থেকেই বৃষ্টি হচ্ছে। কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই সড়কে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানির সঙ্গে ড্রেনের ময়লা পানি মিশে গেছে। জীবিকার তাগিদে বাধ্য হয়েই সেই পানি মাড়িয়ে কর্মস্থলে যেতে হয়েছে। সাভার উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান মিম বলেন, বৃষ্টির মধ্যে ময়লা পানি মাড়িয়ে স্কুলে যেতে হচ্ছে। সড়কে পানি জমে থাকায় অনেক রিকশাচালক যেতে চান না। যারা যান, তারা স্বাভাবিকের তুলনায় দুই থেকে তিন গুণ বেশি ভাড়া দাবি করছেন। ব্যাংক কলোনির বাসিন্দা শফিকুল আলম বলেন, সামান্য বৃষ্টিতেই সাভার পৌর এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন না হওয়ায় প্রতিবছরই একই দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। এ বিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিন শতাধিক শ্রমিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বৃষ্টি থামার সঙ্গে সঙ্গে ড্রেন পরিষ্কার ও পানি নিষ্কাশনের কাজ শুরু করা হবে।
Leave a Reply