1. kamruzzaman78@yahoo.com : kamruzzaman Khan : kamruzzaman Khan
  2. ssexpressit@gmail.com : savarsangbad :
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:২৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
আশুলিয়ায় নবীনগর-চন্দ্রা সড়কে ৯ কিলোমিটার যানজট, ভোগান্তিতে ঘরমুখো মানুষ অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে আশুলিয়ায় মহাসড়ক অবরোধ ভোট দিতে ঘরমুখো মানুষ, মহাসড়কে চাপ বাড়ছে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় নেতাসহ গ্রেপ্তার ৩ : পিস্তল ও অস্ত্র উদ্ধার ঢাকা-১৯ (সাভার -আশুলিয়া) বিএনপি ফুরফুরে মেজাজে এনসিপির ভরসা জামায়াত সাভারে আইনজীবীরা আমান উল্লাহ আমানের পক্ষে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ সাভারের ৯ নং ওয়ার্ডে বিএনপির গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ সাভার উপজেলায় ৪৩ ভোটকেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ধামরাইয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রচারণা বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ হবে ঢাকা থেকে, দিল্লি থেকে নয়: নাহিদ ইসলাম

সাভার-আশুলিয়া-ধামরাইয়ে কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে তরমুজ

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৩

সংবাদ রিপোর্ট: সাভারের হাটে-বাজারে, অলিতে-গলিতে ও ফুটপাত দখল করে কেজি দরে বিক্রি করা হচ্ছে তরমুজ। আর এসব তরমুজ কেজি দরে কিনে প্রতারিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। সাভার-আশুলিয়া-ধামরাইয়ে এমন অনেক অনিয়ম চোখে পড়লেও ভোক্তা সংরক্ষণ আইন এখানে অসহায়। সাভারে কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে মৌসুমী ফল তরমুজ। নিম্নআয়ের মানুষের মনে আশা থাকলেও কেনার সাধ্য নেই তাদের। ৪০, ৫০ ও ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে সৌসুমী ফল তরমুজ । ঢাকা আরিচা মহাসড়ক দখল করেই বসেছে এমনই ছোট-বড় দোকান। সাভার বাসস্ট্যান্ডের এক তরমুজ বিক্রেতা বলেন, আমরা যেমনে আনি তেমনে বিক্রি করি। সব খানে এখন কেজিতেই বেচাকেনা হইতাছে। আমাগোর কাছে কাস্টমাররা যেইভাবে চায় আমরা সেই ভাবেই বিক্রি করি। যে যেমনে চাইবো আমরা ওভাবেই বিক্রি করমু। আর আমরাও তো কিনার সময় কেজি দরে কিনা লইয়া আনি। আমরা কি করুমু।অপরদিকে দেখা যাচ্ছে যে, এই রমজানে বাধ্য হয়েই কেজি দরে তরমুজ কিনে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছে অনেকেই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী ক্রেতার সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমাদের মত নিম্নআয়ের মানুষ কেজি দরে যদি তরমুজ কিনে খেতে হয় তাহলে আমরা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবো আপনারাই বলেন। সাভার বাসস্ট্যান্ডের সব স্থানে একই অবস্থা দেখা যাচ্ছে। আমাদের মত নিম্নআয়ের মানুষের জন্য কেজি দরে তরমুজ কিনে খাওয়াটা খুবই কষ্টদায়ক। আবার এবিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে লাঞ্চিত হয়েছেন অনেক ক্রেতা। তরমুজ বিক্রেতাদের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। তরমুজ যেভাবে কেনাবেচা করুক না কেন এখানে রয়ে গেছে শুভঙ্করের ফাঁকি। আর এসব ফাঁকি ধরতেই প্রয়োজন ভ্রাম্যমাণ আদালতের।এবিষয়ে সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাজারুল ইসলামের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তা সম্ভব হয়নি। সাভারের সচেতন মহলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে দাবি- কেজি দরে তরমুজ বিক্রি করছে, যারা আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা দরকার।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :