1. kamruzzaman78@yahoo.com : kamruzzaman Khan : kamruzzaman Khan
  2. ssexpressit@gmail.com : savarsangbad :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ :
আশুলিয়ায় বাবার সঙ্গে আক্রোশ থেকেই ছেলেকে শ্বাসরোধে হত্যা সাভারে এক নারীসহ তিনজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ সাভারে ইয়াবা সেবনের অভিযোগে ৯ যুবকের কারাদণ্ড সাভারে ইয়ামিন হত্যা মামলা: পলাতক ১৩ জনকে হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ আশুলিয়ায় দুই অবৈধ কারখানা সিলগালা ঢাকা রেঞ্জের সব থানায় থাকবে এসপি’র নিজস্ব সোর্স সাভারে খোলা ও নিবন্ধনবিহীন বীজ বিক্রিতে ২ প্রতিষ্ঠানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা গেন্ডা বাজারে জাহাঙ্গীরের দোকানে পচা-বাসি মাংস: লাখ টাকা জরিমানা সাভারে বহুতলা ভবন থেকে পড়ে নির্মাণ শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু  কলকাতার হোটেলে আগুনে নিহত সাভারের ব্যবসায়ী বাবুর দাফন সম্পন্ন

সাভারে হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রিক্সা চালকদের বিক্ষোভ

  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৬ জুন, ২০২২

সংবাদ রিপোর্ট: মহাসড়কে জরিমানার নামে অটোরিক্সা থেকে চাঁদাবাজি ও হয়রানী বন্ধে সাভারে হাইওয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে অটোরিক্সা ও ভ্যান চালকরা। ২৫ জুন শনিবার দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নবীনগরে এই বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা। এ সময় শত শত বিক্ষুদ্ধ অটোরিক্সা ও ভ্যান চালকরা শ্লোগান দেন, “রাস্তা আছে যেখানে রিক্সা ভ্যান চলবে সেখানে, পুলিশের চাঁদাবাজি আর না আর না।” ভুক্তভোগী রিক্সা চালকরা বলেন, অটোরিক্সা ও ভ্যান মহাসড়কে না গেলেও শাখা রাস্তা থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে হাজার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অটোরিক্সা ছাড়াতে গেলে দালালদের মাধ্যমে গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা। একজন দরিদ্র রিক্সা চালকের পক্ষে এত জরিমানা দেয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। আটক অবস্থা থেকে রিক্সা যখন ফেরৎ পাই তখন দেখা যায় রিক্সা ভেঙ্গে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পরেছে। ব্যাটারীও খুঁজে পাওয়া যায় না। যারা ভাড়ায় রিক্সা চালিয়ে আসছেন তাদের মালিকের দ্বারাও এ অবস্থায় নির্যাতনের শিকার হন। তারা আরো জানান, আমাদের দাবি মানা না হলে একটানা ৩ দিন আন্দোলন চালিয়ে যাবো। রিক্সা চালক মামুন মিয়া বলেন, সাভার-নবীনগর, নবীনগর চন্দ্রা মহাসড়কে প্রায় লক্ষাধীক অটোরিক্সা ও ভ্যান চলাচল করে। রহস্যজনক কারণে অনেক রিক্সাকে কিছুই বলে না হাইওয়ে পুলিশ। আমাদের রিক্সা গলি থেকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে আসে। হাইওয়ে বা ট্রাফিক পুলিশ রিক্সা ধরলেই ২ থেকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। আমরা সারাদিন কত টাকাই বা উপার্জ্জন করি। অনেকেই বলেন, আমরা গরিব মানুষ। অন্যের গাড়ি ভাড়া নিয়া আমরা পরিশ্রম করে টাকা উপার্জন করি। আর সেই টাকা লুটপাট করে খাচ্ছে হাইওয়ে থানা পুলিশ। পুলিশেরা প্রতিনিয়ত আমাদের কাছ থেকে চাঁদা নেয়। এরপরেও বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। কখনো কখনো গাড়ি ভাংচুর এবং মারপিট করে। আমরাও তো মানুষ আমরা কি করে খাবো আমাদেরও সংসার আছে। তাদের এমন অত্যাচারে আমরা অতিষ্ট হয়ে গেছি। রিক্সা চালক ইবাদত হোসেন বলেন, মামলা ভাঙ্গাইতে ২ হাজার টাকা লাগে। কিন্তু কোনো এক মাধ্যমে তারা আমাদের মত গরিব রিক্সা চালক গো কাছ থিকা ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এই টাকা কামাই করতে আমাগো কতটা সময় লাগে এটা শুধু আমরাই বুঝি আমাগো কষ্ট কেউ বুঝে না। অপর এক রিকশা চালক বলেন, ট্রাফিক পুলিশ বক্সে ধরলে ১২’শ থেকে ১৫’শ টাকা লাগে। তাহলে আমরা খামু কি চলমু কেমনে। সরকার যদি আমাগো দাবি না মাইনা না নেয় তাইলে আমরা রাস্তাই শুইয়া থাকমু। এ ব্যাপারে সাভার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর রহমান বলেন, তারা আন্দোলন করছে এটা শুনেছি। কিন্তু তাদের অভিযোগ গুলো সবটাই মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :