1. kamruzzaman78@yahoo.com : kamruzzaman Khan : kamruzzaman Khan
  2. ssexpressit@gmail.com : savarsangbad :
বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন

বাহারি ফুলে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন

  • আপডেট সময় : শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

সংবাদ রিপোর্ট: দিগন্তজোড়া মাঠে লালের সমাহারে ছেয়েছে ‘গোলাপ গ্রাম’ খ্যাত বিরুলিয়া। সবুজ শ্যামলের প্রকৃতির অপরূপ সাজ-সজ্জায় তুরাগের তীর ঘেঁষে ওঠা দ্বীপাঞ্চলে অন্যতম জীবিকা এখন গোলাপ চাষ । সবুজ পাতা, লাল কুঁড়ি ও গোলাপের স্নিগ্ধ মোহ মোহ গন্ধে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের মনে স্থান করে নিয়েছে অঞ্চলটি। প্রতিবছর পহেলা ফাল্গুন, ভ্যালেন্টাইন্স ডে বা ভালোবাসা দিবস ও একুশ ফেব্রুয়ারি ঘিরেই চাষীদের ভাগ্যের চাকা পরিবর্তন হয়। সেই লালের সমারোহে সজ্জিত বাগানের প্রতিটি গোলাপে দুলছে কৃষকদের রঙিন স্বপ্ন । গোলাপ ছাড়াও আছে নানা জাতের বাহারি ফুল। বিশেষ দিবসে এসব ফুলের চাহিদা ব্যাপক।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিরুলিয়া ইউনিয়নের শ্যামপুর, আক্রাইন, সাদুল্লাপুর মৈস্তাপাড়া, বাগ্নীবাড়ি, সামাইর, কালিয়াকৈর, ভবানীপুর, রাজারবাগ, নয়াপাড়া, খাগান ও কমলাপুরসহ সাভারের বিভিন্ন অঞ্চলে গোলাপসহ জারবেরা, গান্ধা, রজনীগন্ধা, মামফুলসহ মনোমুগ্ধকর নানান জাত ও রঙের ফুলের চাষাবাদ ।

১২ ফেব্রুয়ারি বুধবার সকালে সাভারের বিভিন্ন গোলাপ চাষিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, পহেলা ফাল্গুন, ভালোবাসা দিবস ও একুশো ফেব্রুয়ারি ঘিরে কয়েক কোটি টাকার ফুল বিক্রির টার্গেট নিয়েছেন তারা । বিক্রির ওই লক্ষ্য মাত্রা অর্জিত না হলে বার্ষিক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানান চাষীরা ।

গোলাপ চাষি আমিনুল হোসেন জানান, প্রায় ৩’শ বিঘা জমিতে গোলাপ ফুলের চাষ করছি। বিরুলিয়া ইউনিয়নে মিরিন্ডা জাতের গোলাপ চাষের উপযোগী। উবর্র ও নিষ্কাশিত জমিতে গোলাপ চাষ অধিকতর লাভজনক বলে জানান তিনি।

অপরদিকে শ্যামপুর এলাকার ফুলচাষী রফিক জানান, বছরের অন্য সময় তুলনামূলকভাবে ফুলের চাহিদা কম থাকে। তবে গত বছরের তুলনায় এবছর ফুলের আবাদ ভালো হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে প্রতি পিস গোলাপের দাম ১০ টাকা থেকে ২০ পর্যন্ত আশা করছেন চাষিরা।

অন্যদিকে সাভারের ফুল বিক্রির জন্য গড়ে ওঠেছে ফুলের হাট । সেখানে সন্ধ্যা হলেই সরগরমে ওঠে গোলাপ চাষি , পাইকারি ক্রেতা , খুচরা ফুল বিক্রেতা ও দর্শনার্থীদের ।

মৈস্তাপাড়া এলাকায় গোলাপের হাটে শাহবাগের পাইকারি ফুল বিক্রেতা শহিদুল ইসলাম জানান, সাধারণভাবেই ফেব্রুয়ারিতে ফুলের চাহিদা বেশি থাকে । তবে এবার আগের তুলনায় চাহিদা বেশি রয়েছে। সেই সাথে ফুলের দামও গতবছরের তুলনায় কমে বিক্রি হচ্ছে বলে জানান তিনি। বিশেষ দিবসে ১০০ গোলাপ ১০০০ টাকায় পাইকারী বিক্রি করা হয়। এই দর অবশ্য সর্বসাধারণের জন্য নয়-নিয়মিত ক্রেতাদের জন্য।

এ বিষয়ে সাভার উপজেলার কৃষি অফিসার আল মামুন জানান, উপজেলায় প্রায় ৩০৫ হেক্টর জমিতে ফুলের চাষ হয়েছে। এরমধ্যে প্রায় ২৩০ হেক্টের জমিতে গোলাপ ফুলের চাষ হয়েছে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর গোলাপের ফলন ভালো হয়েছে। তিনটি দিবস ঘিরে এ বছর গোলাপ চাষিদের লাভের সম্ভবনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও সংবাদ :