সংবাদ রিপোর্ট: সাভার সেনানিবাসে সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের সাতটি ইউনিটের কাছে জাতীয় পতাকা হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৮ অক্টোবর রবিবার সকাল সোয়া ৯টার দিকে গুলশানের নিজ বাসভবন থেকে সাভার সেনানিবাসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তাঁকে স্বাগত জানান সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
সেনানিবাসে প্রধানমন্ত্রীকে গার্ড অব অনার প্রদান করে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল। পরে উপস্থিত সেনাসদস্যদের সঙ্গে সালাম বিনিময় করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়। এ সময় সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে গড়ে ওঠা দৃষ্টিনন্দন বাগান ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন। পাশাপাশি আমিনবাজার-বলিয়ারপুর সড়কের ওই অংশে একটি গাছের চারা রোপণ করবেন।
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বলিয়ারপুর এলাকার মধুমতি মডেল টাউন থেকে সালেহপুর সেতু পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার এলাকায় দুই দশকের পুরোনো ময়লার ভাগাড় অপসারণ করে গড়ে তোলা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন বাগান। সেখানে নির্মাণ করা হয়েছে ড্রেন, স্থাপন করা হয়েছে নেটিং, সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল ও উইন্ডমিল। পাশাপাশি ১২০টি বৈদ্যুতিক বাতি স্থাপনের মাধ্যমে পুরো এলাকার চিত্র বদলে দেওয়া হয়েছে।
গত ৭ জুলাই মানিকগঞ্জের সিংগাইরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে মহাসড়কের পাশের ময়লার ভাগাড়। পরে তাঁর নির্দেশে ওই এলাকার ময়লা অপসারণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এ কার্যক্রমের আওতায় ১০ হাজার টন ময়লা অপসারণ, আট হাজার ৮০০ বর্গমিটার এলাকায় মাটি ভরাট এবং সমপরিমাণ এলাকায় বালু ভরাট করা হয়। গত ১৫ জুলাই থেকে ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ।
বর্তমানে সেখানে নারিকেল, নিম, সুপারি, তাল, ঝাউ ও সিজিয়াম গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির মোট ছয় হাজার ৯৩০টি গাছ রোপণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মাধবীলতা ও রঙ্গন ফুলের গাছ দিয়ে সাজানো হয়েছে এলাকাটি। দীর্ঘদিনের ময়লার ভাগাড়ের জায়গায় গড়ে ওঠা এই সবুজায়ন এখন এলাকার সৌন্দর্য বাড়িয়েছে।