সংবাদ রিপোর্ট: ‘একটু ভুল কিংবা একটু অবহেলা আপনাকে করে দিতে সারা জীবনের জন্য পঙ্গুত্ব। আক্রান্ত হতে পারেন মানসিক ট্রমায়। তাই আপনার জীবনের অসহায় মূহুর্তে আমরা আছি আপনার পাশে’-এ শ্লোগানকে সামনে রেখে সাভার এই প্রথম সীমা জেনারেল হাসপাতালে ইর্মাজেন্সি আইসিইউ ও অত্যাধুনিক সি-আর্ম মেশিন সংযোজিত সীমা ট্রমা সেন্টারের উদ্বোধন হয়েছে। রোববার সকালে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের থানা ও গেন্ডা বাসস্ট্যান্ডের মাঝে আনন্দপুরে সীমা জেনারেল হাসপাতালের মিলনায়তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সীমা ট্রমা সেন্টারের উদ্বোধন করেন সাভার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আবুবকর সরকার। এ সময় বিশেষ অতিথি ছিলেন সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুয়েল মিঞা ও সিআরপির নির্বাহী পরিচালক ডঃ সোহরাব হোসেন। সীমা জেনারেল হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ দানেশ ঢালীর সভাপতিত্বে সীমা ট্রমা সেন্টারের উদ্বোধনী সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সাভার উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি (দুপ্রক) এর সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন খান নঈম, অর্থোপেডিক সার্জন সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ আসাদুল্লা রিপন, সাভার ক্লাবের সভাপতি আব্দুল কাদের তালুকদার, সাভারে প্রাইভেট হাসপাতাল মালিকদের সংগঠন প্রাইভেট হসপিটাল ওর্নাস এসোসিয়েশন এর সভাপতি ওয়াকিলুর রহমান, সহ-সভাপতি শাহ মো. রাসেল উদ্দিন প্রিন্স, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হালিম, সাভার সিটিজেন ক্লাবের সভাপতি কামরুজ্জামান লিটন, সীমা জেনারেল হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক সীমা সাহা, নির্বাহী পরিচালক ডাঃ ফেরদৌস আহমেদ আল আরিফ ও সীমা ফিজিও থেরাপিস্ট সেন্টারের পরিচালক ডাঃ সাদ্দাম হোসেন মোল্লা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে প্রায় ৫ শতাধিক পল্লী চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে থেকে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ ফার্মেসী ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব মোঃ সোনামুদ্দিন সোহেল ও পল্লী চিকিৎসক নিখিল চন্দ্র সরকার। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সীমা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক সাংবাদিক গোবিন্দ আচার্য্য। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাভার উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: আবুবকর সরকার বলেন, গাবতলী থেকে আরিচা পর্যন্ত ঢাকা-আরিচা মহসড়কে প্রতিনিয়তই নানা দুর্ঘটনা ঘটে। কিন্তু এসব দুর্ঘনায় আঘাতজনিত ব্যক্তিরা মহাসড়কে কোন ট্রমা সেন্টার না থাকায় অনেকেই ঢাকায় ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসা নিতে হয় । তাই এ অঞ্চলে একটি ট্রমা সেন্টারের খুবই প্রয়োজন ছিলো। তিনি বলেন, সীমা ট্রমা সেন্টারটি যেন মানসম্মত চিকিৎসা সেবার একটি আস্থার প্রতীক হয়। কোন ভুল চিকিৎসা যেন রোগীরা না পায়। উল্লেখ্য, সীমা ট্রমা সেন্টারটি হচ্ছে সীমা জেনারেল হাসপাতালের মাল্টি ডিসিপ্রিলিনারী, টারশিয়ারি কেয়ার ও স্পেশালাইজড অর্থোপেডিক্স ইউনিট। এখানে রয়েছে সার্বক্ষণিক স্পাইন, ভাসকুলার ও অর্থোপেডিক্স সার্জন। রয়েছে ইর্মাজেন্সি আইসিইউর ব্যবস্থা।