সংবাদ রিপোর্ট : ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান বাংলাদেশ সরকারের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ পাওয়ায় সাভারে গেন্ডাবাসীর পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। 
২২ আগস্ট শনিবার বিকেলে গেন্ডা এলাকায় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন, স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত থেকে ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকেও তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে নতুন দায়িত্বে সফলতা কামনা করা হয়।
এনজিও ব্যক্তিত্ব মো: ইয়াকুব হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক দীপক কুমার রায়, অধ্যাপক মো: জহিরুল ইসলাম ধীমান, অধ্যাপক মোঃ বদরুল আলম, সিনিয়র সাংবাদিক রেজাউর রহমান সোহাগ, কে এম ফরিদ বাবলু, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাইয়ুম খান, ৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ফালান মিয়া, সেক্রেটারি মোহাম্মাদ আলী মোল্লা, সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম, ব্যবসায়ী কাজী আব্দুল হামিদ, শিক্ষক শফিকুল ইসলাম প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন হাসনাইন জিসান।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সাভারের গেন্ডা মহল্লার সন্তান ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খানের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ পুরো সাভারবাসীর জন্য গর্বের বিষয়। তার মেধা, যোগ্যতা, পেশাগত দক্ষতা ও অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে এ নিয়োগকে দেখছেন তারা। নতুন দায়িত্বে তিনি সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে দেশ ও মানুষের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানে ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান বলেন, এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে পাওয়া এই ভালোবাসা ও সম্মান তার জন্য অত্যন্ত আনন্দের। এই ভালোবাসা তার দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা তার পথচলার বড় অনুপ্রেরণা। নতুন দায়িত্বে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাগত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন তিনি।
গত ৩০ জুলাই আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিসিটর অনুবিভাগের প্রজ্ঞাপনে তাকে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য।
সংবর্ধনা শেষে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। সন্ধ্যার পর ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন।